সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন
নিজের রুচিতে ঘর সাজাতে চান? মিরপুরের ফুটপাথেই মিলবে বোহো স্টাইলের খোঁজ
অনলাইন ডেস্ক
ঘরটা যেন শুধু চার দেয়াল নয়—এটা আমাদের মনের প্রতিচ্ছবি। আর তাই নিজের রুচি, ভালোলাগা আর সৃষ্টিশীলতা দিয়েই সাজিয়ে তুলতে চান অনেকেই। সাম্প্রতিক সময়ে এই সাজের জগতে এসেছে এক দারুণ ট্রেন্ড—বোহিমিয়ান থিম। এলোমেলো, অথচ গ্ল্যামারাস; মাটির গন্ধ মেশানো, তবু একদম ট্রেন্ডি। আর এই বোহো ঘর সাজানোর স্বপ্ন যদি আপনিও দেখে থাকেন, তাহলে মিরপুর-২ এর ফুটপাথ হতে পারে আপনার হিডেন ট্রেজার।
ন্যাশনাল বাংলা উচ্চবিদ্যালয়ের পাশে ফুটপাতজুড়ে ছড়িয়ে আছে অন্দরসজ্জার এক অনন্য ভুবন। সেখানেই মিলবে রঙিন, নজরকাড়া সব সামগ্রী। চলুন দেখে নিই, কী কী থাকছে এই সস্তা অথচ স্টাইলিশ কালেকশনে—
মাটির ছোঁয়া মানেই ঘরের আভিজাত্য বাড়ে দ্বিগুণ। বাউল, পালকি বা ফুলের নকশায় টেরাকোটা ভাস্কর্য কিংবা ফলক মাত্র ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় মিলছে এখানে।
শুধু নিজের চেহারা নয়, আয়নাতে এখন ফুটে ওঠে ঘরের সৌন্দর্য। গোল ও আয়তাকার আয়নায় সুতা, কাঠ আর পুঁতির কারুকাজ একেবারে চোখ জুড়ানো। দাম ৩০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত, আয়তন ও ডিজাইনের উপর নির্ভর করে।
মাটির পাতিল, ঢাকনা, থালা, মগ, এমনকি ফুলদানিও রয়েছে ঝুলিতে। দাম মাত্র ১০০ থেকে ৩৫০ টাকা। স্বাস্থ্যকর, টেকসই এবং ভীষণ দৃষ্টিনন্দন।
ঘরের দেয়ালে বা জানালার পাশে এক টুকরো স্বপ্নের ছোঁয়া আনতে বোহো ঘর সাজাতে ড্রিমক্যাচার দারুণ কার্যকর। রঙিন দড়ি, পালক, পুঁতির ফ্রেম ২০০–৩০০ টাকায় ঘরকে করে তুলবে একেবারে ম্যাজিকাল!
গাছ, ফল বা গয়না—সবই রাখা যাবে এই প্রাকৃতিক ঝুড়িতে। দাম মাত্র ১৫০–৪০০ টাকা।
এ ছাড়াও মিরপুরের এই ফুটপাতে পেয়ে যাবেন কৃত্রিম গাছ, শোপিস, ল্যাম্পশেড, ফ্রিজ ম্যাগনেট, এমনকি পাখির বাসাও!
সব মিলিয়ে সামান্য টাকাতেই নিজের রুচির একটা রঙিন, প্রাণবন্ত এবং বোহিমিয়ান ঘর সাজিয়ে নিতে এখন মিরপুর-২ হতে পারে আপনার পরবর্তী ডেস্টিনেশন